জবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্ত ও বিচার দাবি সহপাঠীদের

জবি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্ত ও বিচার দাবি সহপাঠীদের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী অঙ্কন বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অসুস্থ হওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এ ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলেছেন তার সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়। এ সময় রহস্যজনক এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা নয় বরং হত্যা বলে দাবি করে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতেরও দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একের পর এক শিক্ষার্থীদের এমন রহস্যজনক মৃত্যু হচ্ছে। যে মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। বিচারহীনতার কারণে অঙ্কনদের বারবার মৃত্যু হচ্ছে। একটা হাস্যোজ্জ্বল মেয়ে হঠাৎ করে বিষ খেলো আর মরে গেলো এমন হতে পারে না। এর পেছনের কারণ খতিয়ে বের করতে হবে। 

মানববন্ধনে তার সহপাঠীরা বলেন, ‘অংকনের মত একজন সেরা ছাত্রী, তুখোড় বিতার্কিক এবং প্রাণচঞ্চল একটি তরুণ প্রাণের অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন। অংকনের আকস্মিক অসুস্থ হওয়া, স্ট্রোক করা, আইসিওতে লাইফ সাপোর্টে চলে যাওয়া, পরিবারের পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি ৭ দিন যাবত গোপন করা, তারপর অংকনের মৃত্যু এবং তারপর সন্দেহ জনক ভাবে টক্সিকোলিজির টক্সিকোলিজির রিপোর্ট পুড়িয়ে ফেলার দাবি করা হয়েছে, যদিও তা হাসপাতাল থেকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব।  অংকনের মৃত্যু অস্বাভাবিক এটা জানার পরও পরিবার থেকে তড়িঘড়ি করে সৎকার করা হয়।এই পুরো ব্যাপারটির মধ্যে ঘোরতর রহস্য লুকিয়ে আছে। অংকনের সহপাঠি, সিনিয়র জুনিয়র, শিক্ষকবৃন্দ, কেউ-ই আমরা অংকনের এই রহস্যময় মৃত্যুকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারছি না।

পরিবার মামলা না করলেই কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যু বিনাবিচারে ধামাচাপা পড়তে পারে না। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব আছে সত্যকে উধঘাটন করা ও দোষীদের শাস্তি দেওয়ার।‌‌’

মানববন্ধন থেকে সহপাঠীরা অংকনের মৃত্যুরহস্য উন্মোচন এবং তার মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবী জানান।